চুয়াডাঙ্গা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ চুয়াডাঙ্গায় আন্ত‌জেলা অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় ৬ সদস্য  আটক; চেতনা নাশক ঔষধ উদ্ধার দামুড়হুদার ডুগডুগি বাজারে বিট পুলিশিং সভায় পুলিশ সুপার ফয়জুর রহমান-অপরাধ দমনে পুলিশ কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন স্ত্রী‌কে সম্ভ্রমহা‌নি করার অপরা‌ধে ক‌বিরাজ‌কে জবাই ক‌রে হত্যা দামুড়হুদায় নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি টগর-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় জনগণের কথা চিন্তা করে দামুড়হুদায় মাশরুম চাষ সম্প্রসারণে মাঠ দিবসে সাবেক মহাপরিচালক ড. হামিদুর রহমান -চুয়াডাঙ্গার মাটি কৃষির ঘাটি দামুড়হুদায় জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা দামুড়হুদার আটকবর মোড়ে পূর্ববিরোধের জেরে ২জনকে কুপিয়ে, মারপিটে জখম করার অভিযোগ  দামুড়হুদার দুটি রাস্তার উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন কালে এমপি টগর -আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নমূখী সরকার দামুড়হুদায় বোরো ধান সংগ্রহের লটারী অনুষ্ঠিত 

গোবিন্দগঞ্জে মোঘল আমলের প্রাচীন মাস্তা লাল মসজিদ

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সদর হতে প্রায় ০৩ কি.মি. দক্ষিণে এবং কামারদহ ইউনিয়নের ফাঁসিতলা বাজার হতে ০১ কি.মি. উত্তরে ঢাকা রংপুর মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে মাস্তা প্রাচীন মসজিদটি অবস্থিত। বিভিন্ন জেলা থেকে যে কোন যানবাহন ব্যবহার করে মাস্তা মসজিদে আসা যায়।

 

গাইবান্ধা জেলার ওয়েবসাইডের তথ্যমতে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পুরাতন মসজিদ গুলোর মধ্যে প্রাচীন মাস্তা মসজিদ স্থাপত্যের অপর একটি নিদর্শন। কামারদহ ইউনিয়নের মাস্তা গ্রামের প্রাচীন লাল মসজিদটিই মাস্তা ‘মসজিদ’ নামে পরিচিত।

 

মসজিদ এলাকার জনশ্রুতি মতে এককালে এ এলাকায় বাদশা ফকির নামে একজন প্রভাবশালী ও ধর্মপরায়ন ব্যক্তির বাস ছিল । তিনি এ মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। আজও বাদশা ফকিরের মাজার মসজিদটির সামনে রয়েছে। তাঁর ও তাঁর উত্তারসুরীর আসল পরিচয় আজও মেলেনি। প্রকৃতপক্ষে মসজিদটি কোন সময় নির্মিত হয়েছে তা কোন সূত্র থেকেই আজও জানা যায়নি।

 

তবে মসজিদের নির্মাণ কৌশল ও মোঘল আমলের মসজিদ স্থাপত্যের বৈশিষ্ঠ্যের সূত্র ধরে অনুমান করা যায় মাস্তা মসজিদটি মোঘল আমলের কোন এক সময় নির্মিত হয়েছিল। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৩৫ ফুট এবং প্রস্থ ১৬ ফুট। চার কোণে চারটি স্তম্ভ রয়েছে। একই আকারের তিনটি গম্বুজ আছে। দরজা তিনটি। কোন জানালা নেই।

 

ভিতরে দুই সারিতে নামাজ আদায় হয়ে থাকে। বর্তমানে ওই মসজিদ পরিচালনা কমিটি স্থানীয় মুসল্লিদের সহযোগিতায় বারান্দার সামনে মসজিদ সম্প্রসারণ করে বড় করেছে। যাতে বেশি মুসল্লি এক সাথে নামাজ আদায় করতে পারে। তবে সরকারি ভাবে মসজিদটির স্থাপত্য ধরে রাখতে সংস্কার করার জন্য স্থানীয় মুসল্লিরা প্রশাসনের প্রতি দাবী জানিয়েছেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

গোবিন্দগঞ্জে মোঘল আমলের প্রাচীন মাস্তা লাল মসজিদ

প্রকাশ : ০৭:৫৯:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সদর হতে প্রায় ০৩ কি.মি. দক্ষিণে এবং কামারদহ ইউনিয়নের ফাঁসিতলা বাজার হতে ০১ কি.মি. উত্তরে ঢাকা রংপুর মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে মাস্তা প্রাচীন মসজিদটি অবস্থিত। বিভিন্ন জেলা থেকে যে কোন যানবাহন ব্যবহার করে মাস্তা মসজিদে আসা যায়।

 

গাইবান্ধা জেলার ওয়েবসাইডের তথ্যমতে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় পুরাতন মসজিদ গুলোর মধ্যে প্রাচীন মাস্তা মসজিদ স্থাপত্যের অপর একটি নিদর্শন। কামারদহ ইউনিয়নের মাস্তা গ্রামের প্রাচীন লাল মসজিদটিই মাস্তা ‘মসজিদ’ নামে পরিচিত।

 

মসজিদ এলাকার জনশ্রুতি মতে এককালে এ এলাকায় বাদশা ফকির নামে একজন প্রভাবশালী ও ধর্মপরায়ন ব্যক্তির বাস ছিল । তিনি এ মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। আজও বাদশা ফকিরের মাজার মসজিদটির সামনে রয়েছে। তাঁর ও তাঁর উত্তারসুরীর আসল পরিচয় আজও মেলেনি। প্রকৃতপক্ষে মসজিদটি কোন সময় নির্মিত হয়েছে তা কোন সূত্র থেকেই আজও জানা যায়নি।

 

তবে মসজিদের নির্মাণ কৌশল ও মোঘল আমলের মসজিদ স্থাপত্যের বৈশিষ্ঠ্যের সূত্র ধরে অনুমান করা যায় মাস্তা মসজিদটি মোঘল আমলের কোন এক সময় নির্মিত হয়েছিল। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৩৫ ফুট এবং প্রস্থ ১৬ ফুট। চার কোণে চারটি স্তম্ভ রয়েছে। একই আকারের তিনটি গম্বুজ আছে। দরজা তিনটি। কোন জানালা নেই।

 

ভিতরে দুই সারিতে নামাজ আদায় হয়ে থাকে। বর্তমানে ওই মসজিদ পরিচালনা কমিটি স্থানীয় মুসল্লিদের সহযোগিতায় বারান্দার সামনে মসজিদ সম্প্রসারণ করে বড় করেছে। যাতে বেশি মুসল্লি এক সাথে নামাজ আদায় করতে পারে। তবে সরকারি ভাবে মসজিদটির স্থাপত্য ধরে রাখতে সংস্কার করার জন্য স্থানীয় মুসল্লিরা প্রশাসনের প্রতি দাবী জানিয়েছেন।