চুয়াডাঙ্গা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ চুয়াডাঙ্গায় আন্ত‌জেলা অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় ৬ সদস্য  আটক; চেতনা নাশক ঔষধ উদ্ধার দামুড়হুদার ডুগডুগি বাজারে বিট পুলিশিং সভায় পুলিশ সুপার ফয়জুর রহমান-অপরাধ দমনে পুলিশ কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন স্ত্রী‌কে সম্ভ্রমহা‌নি করার অপরা‌ধে ক‌বিরাজ‌কে জবাই ক‌রে হত্যা দামুড়হুদায় নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি টগর-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় জনগণের কথা চিন্তা করে দামুড়হুদায় মাশরুম চাষ সম্প্রসারণে মাঠ দিবসে সাবেক মহাপরিচালক ড. হামিদুর রহমান -চুয়াডাঙ্গার মাটি কৃষির ঘাটি দামুড়হুদায় জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা দামুড়হুদার আটকবর মোড়ে পূর্ববিরোধের জেরে ২জনকে কুপিয়ে, মারপিটে জখম করার অভিযোগ  দামুড়হুদার দুটি রাস্তার উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন কালে এমপি টগর -আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নমূখী সরকার দামুড়হুদায় বোরো ধান সংগ্রহের লটারী অনুষ্ঠিত 

ঝিনাইদহে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে দুটি ধারায় আমিরুল ইসলাম (৩৩) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন ও ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান এ দন্ডাদেশ দেন। দন্ডপ্রাপ্ত আমিরুল ইসলাম হরিনাকুন্ডু উপজেলার ভায়না গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।

 

আদালত সুত্রে জানা যায়, হরিরনাকুন্ডু উপজেলার ভায়না গ্রামে স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে ২০০৮ সালের ১৫ মে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে আমিরুল ইসলাম। এরপর উপজেলার সাত ব্রীজ এলাকা ও জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় রেখে ওই শিক্ষার্থীকে একাধীকবার ধর্ষণ করে। এরপর জেলা শহরের কলা হাটের সামনে ওই ছাত্রীকে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সে বাড়ি ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনাটি জানায়।

 

এরপর ছাত্রীর মা বাদী হয়ে হরিনাকুন্ডু থানায় ওই মাসেরই ২৯ তারিখে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০৮ সালের ২৯ জুলাই আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলার দীর্ঘ শুনানী শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক অভিযুক্ত আমিরুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের দুটি ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও দুই লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড এবং ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও এক লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

ঝিনাইদহে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশ : ০৫:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মে ২০২৩

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে দুটি ধারায় আমিরুল ইসলাম (৩৩) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন ও ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান এ দন্ডাদেশ দেন। দন্ডপ্রাপ্ত আমিরুল ইসলাম হরিনাকুন্ডু উপজেলার ভায়না গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।

 

আদালত সুত্রে জানা যায়, হরিরনাকুন্ডু উপজেলার ভায়না গ্রামে স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে ২০০৮ সালের ১৫ মে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে আমিরুল ইসলাম। এরপর উপজেলার সাত ব্রীজ এলাকা ও জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় রেখে ওই শিক্ষার্থীকে একাধীকবার ধর্ষণ করে। এরপর জেলা শহরের কলা হাটের সামনে ওই ছাত্রীকে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সে বাড়ি ফিরে পরিবারের কাছে ঘটনাটি জানায়।

 

এরপর ছাত্রীর মা বাদী হয়ে হরিনাকুন্ডু থানায় ওই মাসেরই ২৯ তারিখে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০৮ সালের ২৯ জুলাই আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলার দীর্ঘ শুনানী শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক অভিযুক্ত আমিরুল ইসলামকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের দুটি ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও দুই লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড এবং ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও এক লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড করেন।