চট্টগ্রাম: আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে চলমান ২৯তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৯ এ বাংলাদেশ প্য়াভেলিয়নে দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপকে বাসযোগ্য রাখতে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিউম্যান ২৪ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, বিভিন্ন অঞ্চলের দ্বীপ থেকে আসা প্রতিনিধি, বাংলাদেশের জলবায়ু কর্মী ও সরকারি কর্মকর্তারা।
জলবায়ু কর্মী ও বাংলাদেশ ইয়ুথ ডেলিগেট সোহানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হিউম্যান২৪ এর প্রধান নির্বাহী ও দ্যা ডেইলি পিপলস ভিউ এর নির্বাহী সম্পাদক সালেহ নোমান।
মূল প্রবন্ধে তিনি বলেন, সন্দ্বীপে অর্ধেকের বেশি মানুষ জীবনে একাধিকবার সমুদ্রের ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে।
দ্বীপকে বাসযোগ্য রাখার জন্য বাংলাদেশের সরকার এবং বিশ্ব সম্প্রদায়কে উন্নত প্রযুক্তি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনকে হিসেবে না রাখার কারণে সন্দ্বীপে যাতায়াত নিয়ে নেওয়া কোন উদ্যোগই কার্যকর হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দ্বীপে যাতায়াত রীতিমত দুঃস্বপ্নের মত।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সন্দ্বীপে ক্ষতির বর্ণনা দেন সেন্টার ফর পারটিসিপেটরি ডেভেলাপমেন্ট সিপিআরডি’র প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ শামসুদ্দৌহা ও দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান শামসুদ্দিন ইলিয়াস।
জলবায়ু পরিবর্তনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সন্দ্বীপের মানুষের প্রতি সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন ইনফোরাস সাসটেইনেবল এর সম্পাদক জুডিথ সজোলেসকিজ, ফিজি দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দা শারন্তি স্যান্ডারিনা হোসেয়া।
জলবায়ু কর্মী তামান্না রহমান বলেন, সন্দ্বীপে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির প্রসঙ্গে তেমন আলোচনা হয় না। এই ধরনের বৈষম্য জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় জাতীয় কর্মসূচির বড় দুর্বলতা।
বাংলাদেশ সময়: ১১২১ ঘণ্টা, নভেম্বর ১৬, ২০২৪
এমআর/টিসি