চুয়াডাঙ্গা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ৪ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ চুয়াডাঙ্গায় আন্ত‌জেলা অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় ৬ সদস্য  আটক; চেতনা নাশক ঔষধ উদ্ধার দামুড়হুদার ডুগডুগি বাজারে বিট পুলিশিং সভায় পুলিশ সুপার ফয়জুর রহমান-অপরাধ দমনে পুলিশ কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন স্ত্রী‌কে সম্ভ্রমহা‌নি করার অপরা‌ধে ক‌বিরাজ‌কে জবাই ক‌রে হত্যা দামুড়হুদায় নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি টগর-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় জনগণের কথা চিন্তা করে দামুড়হুদায় মাশরুম চাষ সম্প্রসারণে মাঠ দিবসে সাবেক মহাপরিচালক ড. হামিদুর রহমান -চুয়াডাঙ্গার মাটি কৃষির ঘাটি দামুড়হুদায় জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা দামুড়হুদার আটকবর মোড়ে পূর্ববিরোধের জেরে ২জনকে কুপিয়ে, মারপিটে জখম করার অভিযোগ  দামুড়হুদার দুটি রাস্তার উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন কালে এমপি টগর -আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নমূখী সরকার দামুড়হুদায় বোরো ধান সংগ্রহের লটারী অনুষ্ঠিত 

দর্শনায় কোরআন পুড়ানোর অভিযোগে একজন আটক

দর্শনার উজলপুর গ্রামে ১৬ দিনের ব্যবধানে দুটি পবিত্র কোরআন শরিফ পুড়ানোর অভিযোগ উঠেছে আনিছ উদ্দিন নামের এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আনিছ উদ্দিনকে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছে গ্রামবাসী।

 

শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ২ টার দিকে দর্শনা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আমান উল্লাহ, এসআই আহাম্মদ আলী বিশ্বাস ও এসআই সুজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তাকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়।

 

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ২ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দর্শনা থানাধীন বেগমপুর ইউনিয়নের উজলপুর গ্রামের মৃত রহমান মন্ডলের ছেলে আনিছ উদ্দিন (৫৫) গ্রামের ছটাংগার মাঠে তার নিজ জমিতে একটি কোরআন শরিফ পোড়ায়। এরপর মাঠ হতে গ্রামে ফিরে তা মানুষের নিকট প্রচার করে।

 

এমন খবর শুনারপর তার সত্যতা যাচায়ে মাঠে যায় গ্রামের লোকজন। ঘটনাস্থলে যেয়ে কোরআন শরীফ পোড়ানোর সত্যতা পায়। পরে পুলিশের খবর দিলে দর্শনা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আমান উল্লাহ আমান, এসআই আহাম্মদ আলী বিশ্বাস ও এসআই সুজন ঘটনাস্থল পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শেষে কোরআন শরীফ পোড়ানোর অপরাধে আনিছ উদ্দিনকে আটক করে দর্শনা থানা পুলিশ।

 

স্থানীয়রা জানায়, আনিছ উদ্দিন বেশ কিছুদিন মানষিক ভারসাম্যহীন ভাবে চলাফেরা করছে।

 

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এসএম আমান উল্লাহ আমান জানান, পবিত্র কোরআন শরীফ পোড়ানোর অপরাধে ২৯৫ ধারায় মামলা দায়ের করে আসামীকে চুয়াডাঙ্গা কোট হাজতে পাঠানো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।।

 

এর আগে গত ১২ এপ্রিল সে আরও একটি কোরআন শরিফ আংশিক পুড়িয়ে গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে নজর আলী মাস্টারের বাড়ির গেটের সামনে রেখে যায়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে সরজমিন পরিদর্শন করে কোরআন শরিফটি উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেয়।

প্রসঙ্গঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

দর্শনায় কোরআন পুড়ানোর অভিযোগে একজন আটক

প্রকাশ : ০৭:৫৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৩

দর্শনার উজলপুর গ্রামে ১৬ দিনের ব্যবধানে দুটি পবিত্র কোরআন শরিফ পুড়ানোর অভিযোগ উঠেছে আনিছ উদ্দিন নামের এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আনিছ উদ্দিনকে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছে গ্রামবাসী।

 

শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ২ টার দিকে দর্শনা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আমান উল্লাহ, এসআই আহাম্মদ আলী বিশ্বাস ও এসআই সুজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তাকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়।

 

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ২ টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার দর্শনা থানাধীন বেগমপুর ইউনিয়নের উজলপুর গ্রামের মৃত রহমান মন্ডলের ছেলে আনিছ উদ্দিন (৫৫) গ্রামের ছটাংগার মাঠে তার নিজ জমিতে একটি কোরআন শরিফ পোড়ায়। এরপর মাঠ হতে গ্রামে ফিরে তা মানুষের নিকট প্রচার করে।

 

এমন খবর শুনারপর তার সত্যতা যাচায়ে মাঠে যায় গ্রামের লোকজন। ঘটনাস্থলে যেয়ে কোরআন শরীফ পোড়ানোর সত্যতা পায়। পরে পুলিশের খবর দিলে দর্শনা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আমান উল্লাহ আমান, এসআই আহাম্মদ আলী বিশ্বাস ও এসআই সুজন ঘটনাস্থল পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শেষে কোরআন শরীফ পোড়ানোর অপরাধে আনিছ উদ্দিনকে আটক করে দর্শনা থানা পুলিশ।

 

স্থানীয়রা জানায়, আনিছ উদ্দিন বেশ কিছুদিন মানষিক ভারসাম্যহীন ভাবে চলাফেরা করছে।

 

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ ইন্সপেক্টর (তদন্ত) এসএম আমান উল্লাহ আমান জানান, পবিত্র কোরআন শরীফ পোড়ানোর অপরাধে ২৯৫ ধারায় মামলা দায়ের করে আসামীকে চুয়াডাঙ্গা কোট হাজতে পাঠানো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।।

 

এর আগে গত ১২ এপ্রিল সে আরও একটি কোরআন শরিফ আংশিক পুড়িয়ে গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে নজর আলী মাস্টারের বাড়ির গেটের সামনে রেখে যায়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে সরজমিন পরিদর্শন করে কোরআন শরিফটি উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেয়।