চুয়াডাঙ্গা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ চুয়াডাঙ্গায় আন্ত‌জেলা অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় ৬ সদস্য  আটক; চেতনা নাশক ঔষধ উদ্ধার দামুড়হুদার ডুগডুগি বাজারে বিট পুলিশিং সভায় পুলিশ সুপার ফয়জুর রহমান-অপরাধ দমনে পুলিশ কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন স্ত্রী‌কে সম্ভ্রমহা‌নি করার অপরা‌ধে ক‌বিরাজ‌কে জবাই ক‌রে হত্যা দামুড়হুদায় নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি টগর-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় জনগণের কথা চিন্তা করে দামুড়হুদায় মাশরুম চাষ সম্প্রসারণে মাঠ দিবসে সাবেক মহাপরিচালক ড. হামিদুর রহমান -চুয়াডাঙ্গার মাটি কৃষির ঘাটি দামুড়হুদায় জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা দামুড়হুদার আটকবর মোড়ে পূর্ববিরোধের জেরে ২জনকে কুপিয়ে, মারপিটে জখম করার অভিযোগ  দামুড়হুদার দুটি রাস্তার উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন কালে এমপি টগর -আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নমূখী সরকার দামুড়হুদায় বোরো ধান সংগ্রহের লটারী অনুষ্ঠিত 

প্রবাসীদের দেশে ফেরা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে বিএমইটি

BMET

বুধবার ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে গিয়ে দেশে ফেরা প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিএমইটি মহাপরিচালক শহীদুল আলম। এ সময় বিএমইটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক এএইচএম আনোয়ার পাশা, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক শোয়াইব আহমদ খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রবাসী কর্মীদের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেন।

 

বিএমইটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ এইচ এম আনোয়ার পাশা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রোজার মাসে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারের বেশি প্রবাসী কর্মী দেশে ফিরেছেন। সেই হিসাবে প্রায় এক লাখ কর্মী ফিরেছেন বলে ধারণা করা যায়। বিএমইটি চেয়েছে এই প্রবাসী কর্মীদের দেশে ফেরা যেন নির্বিঘ্ন হয়।

২০২২ সালে বিএমইটির ইতিহাসে রেকর্ড সংখ্যক অর্থাৎ ১১ লাখ ১৩ হাজার কর্মীকে ১৬৭ বিদেশে পাঠানো হয়েছে বলে জানান
সংস্থার মহাপরিচালক শহীদুল আলম। এছাড়া একই বছরে রেমিটেন্স এসেছে ১৯ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার।

 

প্রবাসী কর্মীদের দেশে ফেরা নির্বিঘ্ন করতে চূড়ান্তভাবে কাজ করছে বিএমইটি। সংস্থাটি জানিয়েছে, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, ইমিগ্রেশন পুলিশ, কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

 

অতিরিক্ত মহাপরিচালক আনোয়ার পাশা স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, আপনজনদের সঙ্গে উৎসব পালন করতে মাতৃভূমিতে ফেরার সময় কর্মীদের মনে বিশেষ আবেগ ও যত্ন প্রাপ্তির প্রত্যাশা থাকে। এজন্য প্রবাসী কর্মীদের নিরাপদে বাড়িতে ফিরতে পারার আনন্দ দিতে বিমানবন্দর থেকে দেওয়া সব সেবা সহজ করার মাধ্যমে দায়িত্বে নিয়োজিত সবাইকে বিশেষ সেবাদানের অনুরোধ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

কোভিডের কারণে মাঝে প্রবাসী কর্মীরা নানা সংকটে পড়েছিলেন উল্লেখ করে আনোয়ার পাশা বলেন, ‘যার কারণে অনেকেই দীর্ঘ সময় দেশে ফিরতে পারেননি। বুধবার তাদের অনেকের সঙ্গেই কথা হলো। তারা জানালেন, চার বছর-পাঁচ বছর পর বাড়ি ফিরছে। তাদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বিএমইটি কাজ করছে।’

প্রসঙ্গঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

প্রবাসীদের দেশে ফেরা নির্বিঘ্ন করতে কাজ করছে বিএমইটি

প্রকাশ : ০৭:২৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৩

বুধবার ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে গিয়ে দেশে ফেরা প্রবাসী কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিএমইটি মহাপরিচালক শহীদুল আলম। এ সময় বিএমইটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক এএইচএম আনোয়ার পাশা, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক শোয়াইব আহমদ খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রবাসী কর্মীদের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেন।

 

বিএমইটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ এইচ এম আনোয়ার পাশা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রোজার মাসে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারের বেশি প্রবাসী কর্মী দেশে ফিরেছেন। সেই হিসাবে প্রায় এক লাখ কর্মী ফিরেছেন বলে ধারণা করা যায়। বিএমইটি চেয়েছে এই প্রবাসী কর্মীদের দেশে ফেরা যেন নির্বিঘ্ন হয়।

২০২২ সালে বিএমইটির ইতিহাসে রেকর্ড সংখ্যক অর্থাৎ ১১ লাখ ১৩ হাজার কর্মীকে ১৬৭ বিদেশে পাঠানো হয়েছে বলে জানান
সংস্থার মহাপরিচালক শহীদুল আলম। এছাড়া একই বছরে রেমিটেন্স এসেছে ১৯ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার।

 

প্রবাসী কর্মীদের দেশে ফেরা নির্বিঘ্ন করতে চূড়ান্তভাবে কাজ করছে বিএমইটি। সংস্থাটি জানিয়েছে, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, ইমিগ্রেশন পুলিশ, কাস্টমসসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

 

অতিরিক্ত মহাপরিচালক আনোয়ার পাশা স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, আপনজনদের সঙ্গে উৎসব পালন করতে মাতৃভূমিতে ফেরার সময় কর্মীদের মনে বিশেষ আবেগ ও যত্ন প্রাপ্তির প্রত্যাশা থাকে। এজন্য প্রবাসী কর্মীদের নিরাপদে বাড়িতে ফিরতে পারার আনন্দ দিতে বিমানবন্দর থেকে দেওয়া সব সেবা সহজ করার মাধ্যমে দায়িত্বে নিয়োজিত সবাইকে বিশেষ সেবাদানের অনুরোধ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইতোমধ্যে বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 

কোভিডের কারণে মাঝে প্রবাসী কর্মীরা নানা সংকটে পড়েছিলেন উল্লেখ করে আনোয়ার পাশা বলেন, ‘যার কারণে অনেকেই দীর্ঘ সময় দেশে ফিরতে পারেননি। বুধবার তাদের অনেকের সঙ্গেই কথা হলো। তারা জানালেন, চার বছর-পাঁচ বছর পর বাড়ি ফিরছে। তাদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে বিএমইটি কাজ করছে।’