চুয়াডাঙ্গা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ চুয়াডাঙ্গায় আন্ত‌জেলা অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় ৬ সদস্য  আটক; চেতনা নাশক ঔষধ উদ্ধার দামুড়হুদার ডুগডুগি বাজারে বিট পুলিশিং সভায় পুলিশ সুপার ফয়জুর রহমান-অপরাধ দমনে পুলিশ কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন স্ত্রী‌কে সম্ভ্রমহা‌নি করার অপরা‌ধে ক‌বিরাজ‌কে জবাই ক‌রে হত্যা দামুড়হুদায় নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি টগর-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় জনগণের কথা চিন্তা করে দামুড়হুদায় মাশরুম চাষ সম্প্রসারণে মাঠ দিবসে সাবেক মহাপরিচালক ড. হামিদুর রহমান -চুয়াডাঙ্গার মাটি কৃষির ঘাটি দামুড়হুদায় জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা দামুড়হুদার আটকবর মোড়ে পূর্ববিরোধের জেরে ২জনকে কুপিয়ে, মারপিটে জখম করার অভিযোগ  দামুড়হুদার দুটি রাস্তার উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন কালে এমপি টগর -আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নমূখী সরকার দামুড়হুদায় বোরো ধান সংগ্রহের লটারী অনুষ্ঠিত 

লাইলাতুল বরাতের ইবাদতের ফজিলত

পবিত্র লাইলাতুল বরাত এক মহিমান্বিত রাত। ১৫ শাবান অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত সম্পর্কে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনেক হাদিস রয়েছে। এ বরকতময় রাত ইবাদত-বন্দেগিতে কাটানো উত্তম। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত জেগে থাকবে তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে।

বরকতময় ওই পাঁচটি রাত হলো-১. জিলহজের অষ্টম রাত। ২. জিলহজের নবম রাত। ৩. ঈদুল আজহার রাত। ৪. ঈদুল ফিতরের রাত। ৫. শাবানের ১৫ তারিখের রাত। (আত্তারগিব ওয়াত্তারহিব)। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১৫ শাবানের রাত ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাতেন। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, এক রাতে আমি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিছানায় পেলাম না। তাই তাঁকে খোঁজার উদ্দেশে বের হলাম। দেখতে পেলাম, তিনি জান্নাতুল বাকিতে আছেন।

 

আমাকে দেখে তিনি বলে উঠলেন, ‘তুমি কি এই আশঙ্কা করছ যে, আল্লাহ এবং তাঁর রসুল তোমার সঙ্গে অবিচার করবে? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসুল! আমি ধারণা করছিলাম, আপনি অন্য কোনো বিবির ঘরে তাশরিফ নিয়েছেন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, শাবানের ১৫ তারিখ রাতে মহান আল্লাহতায়ালা দুনিয়ার আসমানে তাশরিফ আনেন এবং বনু কালব গোত্রের ভেড়া-বকরির পশুগুলোর পশমের চেয়েও অধিক সংখ্যক লোককে তিনি মাফ করে দেন।’ (তিরমিজি ইবনে মাজাহ, বায়হাকি, মুসনাদে আহমদ)। রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস শাবানের ১৫ তারিখের রাতে নফল ইবাদতের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। হজরত আলী (রা.) বর্ণিত, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, শাবানের রাত যখন উপস্থিত হয় তখন তোমরা রাত জেগে ইবাদত কর এবং দিনে রোজা রাখ। কেননা আল্লাহপাক এ রাতে সূর্যাস্তের পর প্রথম আসমানে অবতরণ করে বলেন, কোনো ক্ষমাপ্রার্থী কি নেই? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব, কোনো জীবিকা প্রার্থী কি নেই?

 

আমি তাকে জীবিকা দান করব। কোনো বিপদগ্রস্ত কি নেই? আমি তাকে বিপদ থেকে মুক্তি দেব। এভাবে ভোররাত পর্যন্ত ঘোষণা চলতে থাকে। (ইবনে মাজাহ)। লাইলাতুল বরাতে রাত জেগে নফল ইবাদত রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত। তিনি এ পবিত্র রাতে বেশি ইবাদত ও দোয়া করতেন, কবর জিয়ারত করতেন। লাইলাতুল বরাতের নামাজের জন্য বিশেষ আলাদা কোনো পদ্ধতি নেই। অন্য সব নামাজের মতোই এ রাতে নামাজ পড়া যায়। দুই রাকাত করে নামাজ আদায় করা উত্তম। এ পবিত্র রাতে কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া-ইস্তিগফার ইত্যাদি নেক আমল যতটা সম্ভব হয় আদায় উত্তম।

 

লেখক : ইসলামবিষয়ক গবেষক

সৌজন্যেঃ বিডি প্রতিদিন

প্রসঙ্গঃ
জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

লাইলাতুল বরাতের ইবাদতের ফজিলত

প্রকাশ : ০৮:১৪:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ মার্চ ২০২৩

পবিত্র লাইলাতুল বরাত এক মহিমান্বিত রাত। ১৫ শাবান অর্থাৎ শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত সম্পর্কে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনেক হাদিস রয়েছে। এ বরকতময় রাত ইবাদত-বন্দেগিতে কাটানো উত্তম। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত জেগে থাকবে তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে।

বরকতময় ওই পাঁচটি রাত হলো-১. জিলহজের অষ্টম রাত। ২. জিলহজের নবম রাত। ৩. ঈদুল আজহার রাত। ৪. ঈদুল ফিতরের রাত। ৫. শাবানের ১৫ তারিখের রাত। (আত্তারগিব ওয়াত্তারহিব)। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১৫ শাবানের রাত ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাতেন। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, এক রাতে আমি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিছানায় পেলাম না। তাই তাঁকে খোঁজার উদ্দেশে বের হলাম। দেখতে পেলাম, তিনি জান্নাতুল বাকিতে আছেন।

 

আমাকে দেখে তিনি বলে উঠলেন, ‘তুমি কি এই আশঙ্কা করছ যে, আল্লাহ এবং তাঁর রসুল তোমার সঙ্গে অবিচার করবে? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসুল! আমি ধারণা করছিলাম, আপনি অন্য কোনো বিবির ঘরে তাশরিফ নিয়েছেন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, শাবানের ১৫ তারিখ রাতে মহান আল্লাহতায়ালা দুনিয়ার আসমানে তাশরিফ আনেন এবং বনু কালব গোত্রের ভেড়া-বকরির পশুগুলোর পশমের চেয়েও অধিক সংখ্যক লোককে তিনি মাফ করে দেন।’ (তিরমিজি ইবনে মাজাহ, বায়হাকি, মুসনাদে আহমদ)। রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস শাবানের ১৫ তারিখের রাতে নফল ইবাদতের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। হজরত আলী (রা.) বর্ণিত, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, শাবানের রাত যখন উপস্থিত হয় তখন তোমরা রাত জেগে ইবাদত কর এবং দিনে রোজা রাখ। কেননা আল্লাহপাক এ রাতে সূর্যাস্তের পর প্রথম আসমানে অবতরণ করে বলেন, কোনো ক্ষমাপ্রার্থী কি নেই? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব, কোনো জীবিকা প্রার্থী কি নেই?

 

আমি তাকে জীবিকা দান করব। কোনো বিপদগ্রস্ত কি নেই? আমি তাকে বিপদ থেকে মুক্তি দেব। এভাবে ভোররাত পর্যন্ত ঘোষণা চলতে থাকে। (ইবনে মাজাহ)। লাইলাতুল বরাতে রাত জেগে নফল ইবাদত রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত। তিনি এ পবিত্র রাতে বেশি ইবাদত ও দোয়া করতেন, কবর জিয়ারত করতেন। লাইলাতুল বরাতের নামাজের জন্য বিশেষ আলাদা কোনো পদ্ধতি নেই। অন্য সব নামাজের মতোই এ রাতে নামাজ পড়া যায়। দুই রাকাত করে নামাজ আদায় করা উত্তম। এ পবিত্র রাতে কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, দোয়া-ইস্তিগফার ইত্যাদি নেক আমল যতটা সম্ভব হয় আদায় উত্তম।

 

লেখক : ইসলামবিষয়ক গবেষক

সৌজন্যেঃ বিডি প্রতিদিন