চুয়াডাঙ্গা ১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ চুয়াডাঙ্গায় আন্ত‌জেলা অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় ৬ সদস্য  আটক; চেতনা নাশক ঔষধ উদ্ধার দামুড়হুদার ডুগডুগি বাজারে বিট পুলিশিং সভায় পুলিশ সুপার ফয়জুর রহমান-অপরাধ দমনে পুলিশ কে তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন স্ত্রী‌কে সম্ভ্রমহা‌নি করার অপরা‌ধে ক‌বিরাজ‌কে জবাই ক‌রে হত্যা দামুড়হুদায় নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমপি টগর-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় জনগণের কথা চিন্তা করে দামুড়হুদায় মাশরুম চাষ সম্প্রসারণে মাঠ দিবসে সাবেক মহাপরিচালক ড. হামিদুর রহমান -চুয়াডাঙ্গার মাটি কৃষির ঘাটি দামুড়হুদায় জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা দামুড়হুদার আটকবর মোড়ে পূর্ববিরোধের জেরে ২জনকে কুপিয়ে, মারপিটে জখম করার অভিযোগ  দামুড়হুদার দুটি রাস্তার উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন কালে এমপি টগর -আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়নমূখী সরকার দামুড়হুদায় বোরো ধান সংগ্রহের লটারী অনুষ্ঠিত 

চুয়াডাঙ্গায় চার যমজ সন্তান, দেখতে গিয়ে নাম রাখলেন ডিসি

চুয়াডাঙ্গায় একসঙ্গে জন্ম নেওয়া চার কন্যা শিশুর নাম রাখলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান। বুধবার (১০ মে) দুপুরে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিতে চার শিশুকে দেখতে যান এবং নামকরণ করেন জেলা প্রশাসক।

 

বুধবার (১০ মে) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মিষ্টি ও বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক।

জেলা প্রশাসক চার যমজ মেয়ের মা কল্পনা খাতুনকে (২৬) ফুলেল শুভেচ্ছাসহ আর্থিক সহযোগিতা করেন। পরে সবার অনুরোধে তিনি চার কন্যার নাম রাখেন দোয়েল, কোয়েল, ময়না ও টিয়া।

 

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চুয়াডাঙ্গা শহরের বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান আঁখি তারা জেনারেল হাসপাতালে এক সাথে চার কন্যা সন্তানের জন্ম দেন কল্পনা খাতুন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে পরে তাকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম খান চার যমজ সন্তান জন্মের খবর শুনে হাসপাতালে দেখতে যান। এ সময় তাদের নগদ ১০ হাজার টাকা সহযোগিতা করা হয়েছে।

 

জেলা প্রশাসক বলেন,পরিবার থেকে আমাকে নাম দেয়ার জন্য বলা হয়েছিল। আমি পর্যায়ক্রমে দোয়েল, কোয়েল, ময়না ও টিয়া নাম দিয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

 

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার জুরানপুর ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের কল্পনা-মাহাবুব দম্পতির একসঙ্গে চার কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার খবর পেয়ে বুধবার নবজাতকদের দেখতে ক্লিনিকে যান চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান। এসময় তাদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, মিষ্টিমুখ করান, নগদ ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নবজাতকদের যাবতীয় চিকিৎসা খরচ বিনামূল্যে প্রদান করার জন্য অনুরোধ জানান। এসময় ঐ দম্পতির অনুরোধে জেলা প্রশাসক মহোদয় তাদের এই নামকরণ করেন।

 

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ‘একসঙ্গে চার কন্যা শিশুর জন্ম নেওয়া খবর পেয়ে আমরা ক্লিনিকে তাদের দেখতে যাই। তাদেরকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টিমুখ করানো হয়েছে এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি তারা যেন নবজাতকদের যাবতীয় চিকিৎসা খরচ বিনামূল্যে প্রদান করেন।

 

তিনি আরো বলেন, ‘তাদের বাবা রাজমিস্ত্রী। খুবই দরিদ্র পরিবার। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী তাদেরকে সহযোগিতা করব। সোনালী ব্যাংক লিমিডেট, কোর্ট বিল্ডিং শাখায় তাদের বাবার নামে একটি অ্যাকাউন্ট করে দেব। সমাজের সামর্থ্যবানরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করতে পারবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় উন্নত ব্যবস্থাপনায় মাছ চাষের উপর প্রশিক্ষণ

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

চুয়াডাঙ্গায় চার যমজ সন্তান, দেখতে গিয়ে নাম রাখলেন ডিসি

প্রকাশ : ১০:১১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ মে ২০২৩

চুয়াডাঙ্গায় একসঙ্গে জন্ম নেওয়া চার কন্যা শিশুর নাম রাখলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান। বুধবার (১০ মে) দুপুরে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিতে চার শিশুকে দেখতে যান এবং নামকরণ করেন জেলা প্রশাসক।

 

বুধবার (১০ মে) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মিষ্টি ও বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে হাসপাতালে যান জেলা প্রশাসক।

জেলা প্রশাসক চার যমজ মেয়ের মা কল্পনা খাতুনকে (২৬) ফুলেল শুভেচ্ছাসহ আর্থিক সহযোগিতা করেন। পরে সবার অনুরোধে তিনি চার কন্যার নাম রাখেন দোয়েল, কোয়েল, ময়না ও টিয়া।

 

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে চুয়াডাঙ্গা শহরের বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান আঁখি তারা জেনারেল হাসপাতালে এক সাথে চার কন্যা সন্তানের জন্ম দেন কল্পনা খাতুন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে পরে তাকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম খান চার যমজ সন্তান জন্মের খবর শুনে হাসপাতালে দেখতে যান। এ সময় তাদের নগদ ১০ হাজার টাকা সহযোগিতা করা হয়েছে।

 

জেলা প্রশাসক বলেন,পরিবার থেকে আমাকে নাম দেয়ার জন্য বলা হয়েছিল। আমি পর্যায়ক্রমে দোয়েল, কোয়েল, ময়না ও টিয়া নাম দিয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

 

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার জুরানপুর ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের কল্পনা-মাহাবুব দম্পতির একসঙ্গে চার কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার খবর পেয়ে বুধবার নবজাতকদের দেখতে ক্লিনিকে যান চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান। এসময় তাদেরকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, মিষ্টিমুখ করান, নগদ ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নবজাতকদের যাবতীয় চিকিৎসা খরচ বিনামূল্যে প্রদান করার জন্য অনুরোধ জানান। এসময় ঐ দম্পতির অনুরোধে জেলা প্রশাসক মহোদয় তাদের এই নামকরণ করেন।

 

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ‘একসঙ্গে চার কন্যা শিশুর জন্ম নেওয়া খবর পেয়ে আমরা ক্লিনিকে তাদের দেখতে যাই। তাদেরকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টিমুখ করানো হয়েছে এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি তারা যেন নবজাতকদের যাবতীয় চিকিৎসা খরচ বিনামূল্যে প্রদান করেন।

 

তিনি আরো বলেন, ‘তাদের বাবা রাজমিস্ত্রী। খুবই দরিদ্র পরিবার। আমার সামর্থ্য অনুযায়ী তাদেরকে সহযোগিতা করব। সোনালী ব্যাংক লিমিডেট, কোর্ট বিল্ডিং শাখায় তাদের বাবার নামে একটি অ্যাকাউন্ট করে দেব। সমাজের সামর্থ্যবানরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করতে পারবে।